MULLHOLAND DRIVE(2001)

 



কিছু কিছু মুভি প্রথমবারে বুঝতে আপনার কষ্ট হবে। মূলহল্যান্ড ড্রাইভ তেমনি একটি মুভি। অনেকে বলেন, এই মুভির ডিরেক্টর ডেভিড লিঞ্চ একজন সিজোফ্রেনিয়া রোগী ছিলেন। এবং তার মুভিগুলোতে এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়।

মুভির শুরুটা হয় মূলহল্যান্ড ড্রাইভে একটা কার এক্সিডেন্ট দিয়ে। গাড়িতে থাকা মেয়েটা যখন বুঝতে পারে এটা তাকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, সে তখন পালিয়ে চলে আসে। পালিয়ে এসে সে একটি এপার্টমেন্টে আশ্রয় নেয়, যেটি বেটি নামে একজন অভিনেত্রী হতে চাওয়া মেয়ের আন্টির এপার্টমেন্ট। বেটি সেখানে থাকার জন্য এসেছে। এদিকে আশ্রয় নেওয়া মেয়েটা তার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে, নাম-ঠিকানা কিছুই মনে নেই তার। তবে তার ব্যাগে বেশকিছু ডলার এবং একটি নীল রঙের চাবি পাওয়া যায়। সকালে বেটি তার আন্টির এপার্টমেন্টে উঠে মেয়েটাকে দেখে অবাক হয় এবং কথা বলার পর সবকিছু জানতে পারে। এরপর দুজনে মিলে অচেনা মেয়েটির পরিচয় খুঁজতে শুরু করে। কে এই মেয়েটা? এবং কেনই বা তাকে কেউ মারতে চায়?

বাফটা ফিল্ম এওয়ার্ডে, বেস্ট ইডিটিং ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার জেতা মুভিটিকে আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ একটা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বলে মনে হলেও, মুভির মূল বিষয়বস্ত তুলনামূলক জটিল। মুভিটি পরিপূর্ণভাবে বুঝতে হলে খাতা কলম নিয়ে সিকুয়েন্স হিসেব করে বসতে হবে। মুভিটা দেখার পর আপনাকে দুবার গল্পটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে। পরিশেষে, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য এটা মাস্ট ওয়াচ একটা মুভি।


🎬Mullholand Drive(2001)
🎞 Director: David Lynch
💡Runtime: 2:27:20
💡IMDB: 7.9/10
💡Rotten Tomatos: 84%
💡My Rating: 9/10

Comments

Popular posts from this blog

PREDESTINATION(2014)

আকাশ পার হয়ে গেল